• ১৫ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mumbai Indians

খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে এ কী হাল ঋষভদের!‌ বুমরার দাপটে ধসে গেল দিল্লি

আইপিএলের প্লে অফে তিনটি জায়গা নিশ্চিত হয়ে গেছে। বাকি একটা জায়গা। লড়াই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ও দিল্লি ক্যাপিটালসের মধ্যে। প্লে অফের টিকিটের জন্য এই মুহূর্তে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হাতে কিছু নেই। দিল্লি ক্যাপিটালস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচের ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছিল তাদের ভাগ্য।১৪ ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের পয়েন্ট ১৬। আর ১৩ ম্যাচে দিল্লির পয়েন্ট ১৪। নেট রানরেটে দিল্লি (+০.২৫৫) এগিয়ে রয়েছে বেঙ্গালুরুর (-০.২৫৩) থেকে। সুতরাং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দিল্লি ক্যাপিটালস জিতলেই পেয়ে যাবে প্লে অফের টিকিট। আর ঋষভ পন্থরা হারলে প্লে অফে খেলার সুযোগ এসে যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সামনে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে এই রকম মরণবাঁচন ম্যাচেও ব্যাটিং বিপর্যয় দিল্লি ক্যাপিটালসের। দলকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচালেন রভম্যান পাওয়েল ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যেই লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল দিল্লি। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৫৯/৭। টস জিতে দিল্লিকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। সুস্থ হয়ে ওঠায় দিল্লি এদিন ললিত যাদবের জায়গায় প্রথম একাদশে ফেরায় পৃথ্বী শকে। মরণবাঁচন ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার জন্য ডেভিড ওয়ার্নারের ফর্মে ফেরার দিকে তাকিয়ে ছিল দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু এদিনও ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে পারলেন ওয়ার্নার। ৬ বলে মাত্র ৫ রান করে তিনি তৃতীয় ওভারে ড্যানিয়েল স্যামসের বলে বুমরার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। পরের ওভারেই মিচেল মার্শকে (০) তুলে নেন যশপ্রীত বুমরা। এক ওভার পরেই তিনি ফেরান পৃথ্বী শকে। প্রথম একাদশে ফিরে এদিন ভাল শুরু করেছিলেন পৃথ্বী। কিন্তু বড় রান করতে পারলেন না। ২৩ বলে ২৪ রান করে তিনি আউট হন। সরফরাজ খানও (৭ বলে ১০) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৫০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে দিল্লি। এরপরই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও রভম্যান পাওয়েল। দুজনের জুটিতে ওঠে ৭৫। এই জুটিই মান বাঁচায় দিল্লির। ঋষভকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রমনদীপ সিং। ৩৩ বলে তিনি করেন ৩৯। তারপরই আউট হল রভম্যান পাওয়েল। ৩৪ বলে তিনি করেন ৪৩। পাওয়েলের স্টাম্প ছিটকে দেন বুমরা। শেষ পর্যন্ত অক্ষর প্যাটেলের (১০ বলে ১৯) সৌজন্যে ১৫৯/৭ রানে পৌঁছয় দিল্লি। দুরন্ত বোলিং করে ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন যশপ্রীত বুমরা।

মে ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লিগ টেবিলে সম্মানজনক জায়গায় শেষ করাই এখন লক্ষ্য রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের

টানা ৮ ম্যাচ হেরে প্লে অফের স্বপ্ন আগেই শেষ করে ফেলেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। বাকি ম্যাচ জিতলেও প্লে অফে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। লিগ টেবিলে সম্মানজনক জায়গায় শেষ করাই এখন লক্ষ্য রোহিত শর্মার দলের। সেই লক্ষ্যে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে বড় রান তুলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ১৭৭।টস জিতে এদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। আগের ম্যাচে প্রথম জয় পাওয়া মুম্বই ইন্ডিয়ান্স একটা পরিবর্তন করে মাঠে নামে। ঋত্ত্বিক সোকেনের জায়গায় মুরুগান অশ্বিন প্রথম একাদশে ঢোকেন। ব্যাট করতে নেমে এদিন দারুণ শুরু করেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। দুই ওপেনার ঈশান কিষান ও অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে দেখে মনে হচ্ছিল ভাল ছন্দে রয়েছেন। ওপেনিং জুটিতে দুজনে তোলেন ৭৪। সেই সময় মুম্বইয়ের রান তোলার গড় ছিল ওভার প্রতি ১০এর ওপরে। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে প্রথম ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রশিদ খানের বলে এলবিডব্লু হন রোহিত। প্রথমে অন ফিল্ড আম্পায়ার রোহিতকে আউট দেননি। রশিদ ডিআরএসের আশ্রয় নেন। টিভি আম্পায়র রিপ্লে দেখে রোহিতকে আউট দেওয়ার কথা বলেন অন ফিল্ড আম্পায়ারকে। ৫টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪৩ রান করেন রোহিত। তিনি আউট হওয়ার ২ ওভার পরেই সূর্যকুমার যাদবকে তুলে নেন প্রদীপ সাঙ্গোয়ান। ১১ বলে ১৩ রান করেন সূর্যকুমার। দ্বাদশ ওভারের শেষ বলে ঈশান কিষানকে তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। ২৯ বলে ৪৫ রান করেন ঈশান। ঈশান আউট হওয়ার পর রান তোলার গতি কমে যায় মুম্বইয়ের। কায়রন পোলার্ড চলতি আইপিএলে একেবারেই ছন্দে নেই। এদিন ১৪ বলে মাত্র ৪ রান করে রশিদ খানের গুগলিতে পরাস্ত হয়। তিলক ভার্মা ১৬ বলে করেন ২১ রান। শেষদিকে টিম ডেভিড ঝড় তুলে মুম্বইকে ১৭৭/৬ রানে পৌঁছে দেন। ২১ বলে ৪৪ রান করে অপরাজিত থাকেন টিম ডেভিড। এদিন দারুণ বোলিং করে ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন রশিদ খান।

মে ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌গর্বে ভাসছেন সেদিনের অপমানিত কার্তিকেয়র বাবা

একসময় কিটস কেনার সামর্থ ছিল না। সেই ছেলে এখন ক্রিকেটের মহাযজ্ঞের মঞ্চে। পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে চোখে জল ঝাঁসির কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহের চোখে। ছেলের জন্য একসময় ক্রিকেট কিট কেনার টাকাও ছিল না এই কনস্টেবলের। কী ঘটেছিল শ্যামনাথ সিংয়ের সঙ্গে? বছর আষ্টেক আগেকার কথা। ছেলের জন্য ক্রিকেট কিট কিনতে গিয়েছিলেন ঝাঁসি পুলিশ লাইনের কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহ। ক্রিকেটের পুরো কিটস কেনার মতো সামর্থ্য ছিল না শ্যামনাথের। সেদিন দোকানদারকে শ্যামনাথ বলেছিলেন, কিটসের পুরো টাকা দিতে পারবেন না। নিজের অসামর্থ্যের কথা জানিয়েছিলেন। দোকানদার সটান উত্তর দিয়েছিলেন, পুরো কিটস কেনার সামর্থ্য যখন নেই, তাহলে দোকানে এসেছেন কেন? সেদিন শ্যামনাথ দোকানদারকে কোন উত্তর দিতে পারেননি। অর্ধেক কিটস কিনে বাড়িতে চলে এসেছিলেন। ছেলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে সুযোগ পাওয়ার ৮ বছর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বলতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন ঝাঁসি পুলিশ লাইনের হেড কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহ। চোট পেয়ে চলতি আইপিএল থেকে ছিটকে গেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মহম্মদ আর্শাদ। তাঁর জায়গায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে নিয়েছে বাঁহাতি স্পিনার কুমার কার্তিকেয় সিংহকে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে সুযোগ পাওয়া কার্তিকেয়ার জন্ম ক্রীড়া পরিবারেই। বাবা শ্যামনাথ সিংহ মধ্যপ্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা। তিনি ছিলেন একজন শ্যুটিং খেলোয়াড়। ছেলে কার্তিকেয় বাবার কাছ থেকেই খেলাধূলার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন। মধ্যপ্রদেশের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেন কার্তিকেয়। ২০১৮ সালে কেরালার বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হয়। ২০১৯ সালে সৈয়দ মুস্তাক আলিতে অভিষেক সিকিমের বিরুদ্ধে। মহম্মদ আর্শাদ খান চোট পাওয়ায় তাঁর জায়গায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ঝাঁসি পুলিশের আধিকারিকরা যখন কার্তিকেয়র আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার কথা জানতে পারেন, তখন পুলিশ ক্যাপ্টেনসহ অন্যান্য অফিসাররা শ্যামনাথকে অভিনন্দন জানান। পুলিশ লাইনে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় শ্যামনাথ বলেন, ছেলে যখন ভারতীয় দলের জার্সি পরার সুযোগ পাবে, সেদিন তিনি সবথেকে বেশি খুশি হবেন। ছেলে ফোন করে আমাকে আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। ক্যাপ্টেন স্যার, সিও স্যার এবং সমস্ত স্টাফ আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। আমি জাতীয় শুটিংয়ে অংশ নিয়েছি। আমাকে দেখে ছেলে খেলায় আসে। পড়াশোনাতেও খুব ভাল ছিল। খেলার প্রতি ওর বেশি আগ্রহ দেখে খেলায় মনোযোগ দিতে বলেছিলাম। আমার আত্মীয়রা আমাকে বলেছিল যে আমি ওর ভবিষ্যত নষ্ট করছি। ওকে পুলিশে ভর্তি করাতে পারতাম। কারও কথা শুনিনি। আমার দেওয়া লক্ষ্য থেকে ছেলে পিছিয়ে যায়নি। শ্যামনাথ আরও বলেন, সামনে অনেক বাধা ছিল। ছেলের সব চাহিদা মেটাতে পারিনি। একসময় ছেলে বলত, আর হয়তো খেলতে পারবে না। আমি ওকে হাল ছাড়তে নিষেধ করেছিলাম। নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শ্যামনাথ। তিনি জানান, দুই ছেলের জন্য কিটস কিনতে দোকানে গিয়েছিলেন। দুটো কেনার টাকা ছিল না। তখন দোকানদার বলেছিল, শুধু একটি কিটস কিনুন। জিনিসপত্র খুব দামী। টাকা কম থাকার কারণে কিছু জিনিস কমিয়ে নিয়েছিলাম। এ নিয়ে দোকানদার বলেছিলেন, সামর্থ না থাকলে দোকানে এসেছেন কেন? সেদিন কিছু বলতে পারিনি। কখনই সম্পূর্ণ কিটস ছেলেকে কিনে দিতে পারেনি।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টানা ৭ ম্যাচে হার, কেন এই হাল মুম্বইয়ের?‌ রহস্য ফাঁস

চলতি আইপিএলে পরপর ৭ ম্যাচে হেরে রেকর্ড গড়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। আর এই টানা হারে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবিরে দলের ভেতরের খবর বাইরে এসে পড়েছে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবির এখন ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। ড্রেসিংরুমের পরিবেশ একেবারেই ভাল নয়। এমনই জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার ক্রিস লিন। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের ডিওওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স রবীন্দ্র জাদেজার চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে তিন উইকেটে হেরেছে। শেষ ওভারে ৪ বলে ১৬ রান নিয়ে জয়দেব উনাদকাট চেন্নাইয়ের রাম তাড়া করার চাপ ধরে রাখতে পারেননি। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ফিনিশারের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। রোহিত অ্যান্ড কোম্পানি আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা ৭ ম্যাচ হেরেছে। কেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই রকম বিপর্যয়? মুম্বই শিবিরের অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ক্রিস লিন মনে করছেন, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ খারাপ হওয়ার কারণেই দলের এই হাল। ক্রিস লিন ২০২০ ও ২০২১ আইপিএলেও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের অংশ ছিলেন। তাঁর মতে, মুম্বই শিবিরে ক্রিকেটারদের মধ্যে নানা মত পার্থক্য রয়েছে।এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটের অনুষ্ঠানে ক্রিস লিন বলেছেন, জেতাটা একটা অভ্যাস আর হারটাও একটা অভ্যাস। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ব্যাট, বল, মাঠে এবং মানসিকভাবে সমস্যায় পড়েছে। দেখে মনে হচ্ছে গোটা দলের সেট আপে সর্বত্র দলাদলি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, যখন দল একেবারে টেবিলের নীচের দিকে থাকবে, তখন অধিনায়কের মতো বাকিরা, কাইরন পোলার্ডও মিড অন বা মিড অফ থেকে দৌড়ে আসবে, সাহায্য করবে। কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের মধ্যে এটা দেখিনি। কারণ তারা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হতে শুরু করেছে এবং তারা কেবল মাঠে নামতে চায়। এটা ভাল লক্ষণ নয়। আমার মনে হয় এই মুহূর্তে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দলের পরিবেশ ভাল জায়গায় রয়েছে। এই মুহূ্র্তে রোহিত শর্মার দল পয়েন্ট তালিকায় সকলের শেষে রয়েছে। প্লে অফে যেতে গেলে বাকি ম্যাচগুলোতে জিততেই হবে। যা খুবই কঠিন। এই পরিস্থিতিতে ২৪ এপ্রিল রবিবার মুম্বইয়েরে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বাধীন লখনউ সুপার জায়ান্টদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে।

এপ্রিল ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌নির্বাসনের মুখে পড়তে হতে পারে রোহিত শর্মাকে, কেন?‌

সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না মু্ম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মার কাছে। চলতি আইপিএলে ইতিমধ্যেই পাঁচ ম্যাচ খেলা হয়ে হয়ে গেছে। এখনও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারতে হয়েছে। তার ওপর আবার জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ককে। দলের মন্থর বোলিংয়ের জন্য ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছে রোহিত শর্মার। চলতি আইপিএলে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার জরিমানার কবলে পড়তে হল মুম্বই অধিনায়ককে। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ে ২০ ওভার বোলিং করতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ফলে দলের অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মার ওপরে শাস্তির খাঁড়া নেমে এসেছে। তাঁর ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর আগে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ম্যাচেও মন্থর বোলিংয়ের জন্য শাস্তির কবলে পড়তে হয়েছিল রোহিতকে। ওই ম্যাচে ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছিল। দ্বিতীয় বার একই অপরাধ হওয়ায় এবার জরিমানার পরিমান দ্বিগুন। যদি আরও একবার মন্থর বোলিংয়ের দায়ে অভিযুক্ত হন রোহিত, তাহলে জরিমানার পাশাপাশি এক ম্যাচ নির্বাসিত হতে হবে। শুধু রোহিতেরই জরিমানা হয়নি, প্রথম একাদশে থাকা বাকি ক্রিকেটারদেরও জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে। বাকিদের জরিমানা হয়েছে ৬ লক্ষ টাকা করে। আইপিএলের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচে স্লো ওভার রেটের জন্য মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে জরিমানা করা হয়েছে। অধিনায়ক রোহিত শর্মার ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাকি ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানা হয়েছে। এ বারের আইপিএলে এখনও পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নরা। পর পর পাঁচ ম্যাচে হারতে হয়েছে তাদের। বুধবার টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন রোহিত। প্রথমে ব্যাট করে ১৯৮ রান করে পঞ্জাব। জবাবে ১৮৬ রানে শেষ হয় মুম্বইয়ের ইনিংস। ১২ রানে ম্যাচ হারে তারা।এদিকে, রোহিত শর্মার ব্যাটেও রান নেই। ৫ ম্যাচে করেছেন ১০৪। দলের অধিনায়ক রান না পেলেও চিন্তিত নন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স হেড কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে। তিনি বলেন, রোহিত ভাল টাচে আছে। ভাল শুরু করছে। কিন্তু বড় ইনিংস আসছে না। আমি আশাবাদী, দ্রুতই বড় ইনিংস খেলবে রোহিত।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌বড়া পাও ছিনিয়ে নিয়ে গেল’‌, কামিন্স সম্পর্কে কেন একথা বললেন শেহবাগ?‌

ক্রিকেট দুনিয়ায় মজাদার টুইট করার ব্যাপারে দারুণ সুনাম আছে বীরেন্দ্র শেহবাগ ও হরভজন সিংয়ের। এই দুই প্রাক্তন ক্রিকেটারের টুইটে অনেকসময় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আবার টুইট করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ভক্তদের বিরাগভাজন হয়েছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ। বীরু নাকি নিজের টুইটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নিয়ে উপহাস করেছেন।কী এমন টুইট করেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ? বুধবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে ম্যাচ ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। শেষদিকে ঝড় তুলে ১৫ বলে অপরাজিত ৫৬ রানের ইনিংস খেলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মুখ থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন নাইট রাইডার্সের প্যাট কামিন্স। তাঁর এই ইনিংস দেখে বীরন্দ্র শেহবাগ টুইট করেন, মুন সে নিভালা ছিন লিয়া, বড়া পাও ছিন লিয়া। প্যাট কামিন্স, ক্লিন হিটিংয়ের অন্যতম প্রদর্শন, ১৫ বলে ৫৬। শেহবাগের এই টুইট রোহিত ভক্তদের ভাল লাগেনি।কেন বড়া পাওর কথা বলেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ? আসলে মুম্বইয়ের মানু্ষদের সবথেকে প্রিয় খাবার বড়া পাও। কামিন্সের ইনিংস দেখে তিনি বলেন, এটা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ক্রিকেটারদের কাছ থেকে বড়া পাও কেড়ে নেওয়ার মতো। কামিন্সের এই ইনিংসে যেমন শেহবাগ থেকে অনেকেই মুগ্ধ, তেমনই অবাক কামিন্স নিজেও। তিনি যে ওইরকম বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন, কামিন্স নিজেও বিশ্বাস করতে পারছেন না। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, এই রকম ইনিংস খেলে আমিই সবথেকে বেশি অবাক। সত্যিই আমি আনন্দিত। আমার প্রিয় জায়গায় বল পড়লেই উড়িয়ে দেব, একথা মাথায় রেখে ব্যাট করতে নেমেছিলাম। এর বেশি কিছু করার চেষ্টা করিনি।Moonh se nivala cheen liya ,, sorry vada pav cheen liya.Pat Cummins, one of the most insane display of clean hitting , 15 ball 56 Jeera Batti #MIvKKR pic.twitter.com/Npi2TybgP9 Virender Sehwag (@virendersehwag) April 6, 2022এই মরশুমে প্রথম ম্যাচে নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে নিজের পারফরমেন্সে খুশি কামিন্স। তিনি বলেন, প্রথম ম্যাচে নিজের পারফরমেন্সে আমি খুশি। স্টেডিয়ামের বাউন্ডারি ছোট ছিল। তার সুযোগ নিতে চেয়েছিলাম। ক্রিজে এসে একটা কথাই শুধু মাথায় ছিল, বাউন্ডারির বাইরে বল ওড়াতে হবে। সেই চেষ্টা করতেই সফল। লক্ষ্য ছিল কয়েকটা বড় শট খেলে ভেঙ্কটেশ আয়ারের কাজ সহজ করে দেওয়া। সেটা করতে পেরেছি। কামিন্সের ইনিংস দেখে মুগ্ধ কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, অবিশ্বাস্য ইনিংস। এত জোরে বল মারছিল, এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

যুগ্মভাবে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরি, কামিন্স ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই

আইপিএলের তৃতীয় ম্যাচেও জয় এল না। প্যাট কামিন্স ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নাইট রাইডার্স জিতল ৫ উইকেটে। ১৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি কামিন্স-এর। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে যুগ্মভাবে আইপিএলের ইতিহাসে দ্রুততম।এদিন টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। রোহিত শর্মাদের ওপর শুরুর দিকে চাপ রেখেছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলাররা। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তোলে ১ উইকেটে মাত্র ৩৫। ১২ বলে ৩ রান করে আউট হন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁকে ফেরান উমেশ যাদব।এরপর ঈশান কিষাণের সঙ্গে জুটি বেঁধে মুম্বইকে টানেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। এদিন দারুণ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। তাঁর সঙ্গে এবি ডি ভিলিয়ার্সের ইতিমধ্যে তুলনা শুরু হয়েছে। নামের পাশে বসে গেছে বেবি এবি তকমা। এই তকমা যে একেবারেই ভুল নয়, আইপিএলের অভিষেক ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন ব্রেভিস। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান করা দক্ষিণ আফ্রিকার ব্রেভিস এদিন বরুণ চক্রবর্তীর বলে স্টাম্প আউট হন। ২টি করে চার ও ছয়ের সাহায্যে ১৯ বলে ২৯ রান করেন ব্রেভিস।১১তম ওভারের শেষ বলে ৫৫ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ২১ বলে ১৪ রান করে আউট হন ঈশান কিষাণ। প্যাট কামিন্সের বলে তাঁর ক্যাচ ধরেন শ্রেয়স আয়ার। এরপর সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিলক বর্মা। সূর্য-তিলকের জুটিতে ৪৯ বলে ৮৩ রান ওঠে। ৩৬ বলে ৫২ রান করে প্যাট কামিন্স-এর বলে আউট হন সূর্যাকুমার। শেষ পাঁচ বলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তোলে ২৩ রান। তিনটি ছক্কার সাহায্যে ৫ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন কায়রন পোলার্ড। তিনটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ২৭ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিলক বর্মা। ২০ ওভারে মুম্বই তোলে ১৬১/৪। প্যাট কামিন্স ৪ ওভারে ৪৯ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। উমেশ যাদব ৪ ওভারে ২৫ ও বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে ৩২ রানে ১টি করে উইকেট নেন। খরচ করে একটি করে উইকেট দখল করেন। সুনীল নারাইন ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি।Wow again!!! @KKRiders boys!! pic.twitter.com/ctt0ZQ7vVC Shah Rukh Khan (@iamsrk) April 6, 2022ব্যাট করতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মতো নাইট রাইডার্সের শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ৪ ওভারে ওঠে মাত্র ১৬। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই আউট হন অজিঙ্কা রাহানে (৭)। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকে (১০) তুলে নেন ড্যানিয়েল সামস। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ভেঙ্কটেস আয়ার ও সামস বিলিংস। জুটিতে ওঠে ৩২। বিলিংসকে (১৭) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মুরুগান অশ্বিন। নীতিশ রানাকেও (৮) ফেরান অশ্বিন।পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। দলকে চাপের মুখ থেকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার ও আন্দ্রে রাসেল। কিন্তু তাঁদের প্রয়াস ফলপ্রসূ হয়নি। টাইমল মিলসের শর্ট বল গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের ধরে ব্রেভিসের হাতে ধরা পড়েন রাসেল (১১)। নাইটদের রান সেই সময় ৫ উইকেটে ১০১।শেষ ৬ ওভারে নাইটদের জেতার জন্য দরকার ছিল ৪৭। ১৫তম ওভারের প্রথম বলেই অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার (৪১ বলে অপরাজিত ৫৬)। যশপ্রীত বুমরার ওই ওভারের, চতুর্থ ও পঞ্চম বলে প্যাট কামিন্স ছয় ও চার মেরে নাইটদেরজয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল করেন। ৫ ওভারে নাইটদের প্রয়োজন দাঁড়ায় ৩৫। ১৬তম ওভারে কামিন্স ঝড় অব্যাহত থাকে। ড্যানিয়েল সামসের প্রথম, তৃতীয় ও চতুর্থ বলে মারেন ছক্কা, দ্বিতীয় বলে চার। এই ওভারই মুম্বইয়ের আশায় জল ঢেলে দেয়। পঞ্চম বলটি করতে গিয়ে স্যামস ওভারস্টেপিংয়ে নো বল করে বসেন, ২ রান নেন কামিন্স। ফ্রি হিটে চার মারার পরের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করে দেন কামিন্স (১৫ বলে অপরাজিত ৫৬)।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে কেন জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিত?

কলকাতা নাইট রাইডার্সকে সামনে দেখলেই জ্বলে ওঠা রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অতীতে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যাট থেকে বড় বড় ইনিংস পাওয়া গেছে। সে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সই হোক কিংবা মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। নাইটদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠে দলকে জয় এনে দিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। পঞ্চদশ আইপিএলে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ তিনি।বুধবার পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ম্যাচের তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে রোহিত শর্মাকে তুলে নেন উমেশ যাদব। উমেশের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে নাইট উইকেটরকিপার সাম বিলিংসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত। ১২ বলে মাত্র ৩ রান করেন তিনি।এবারের আইপিএলে এই নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি রান পেলেন না। প্রথম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৩২ বলে ৪১ রান করেছিলেন রোহিত। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচেও রান পাননি রোহিত। ৫ বলে মাত্র ১০ রান করে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে আউট হন। এদিন করেন মাত্র ৩ রান। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে যসুরু থেকেই এদিন স্বস্তিতে ছিলেন না রোহিত। উমেশ যাদব ও নাইট রাইডার্সের হয়ে অভিষেককারী জোরে বোলার জম্মু ও কাশ্মীরের রাসিখ সালামের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারছিলেন না। ঝুঁকি নিয়ে আক্রমণাত্মক হতে গিয়েই উইকেট উপহার দেন।আইপিএলে সবথেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধেই সবথেকে বেশি রান করেছেন রোহিত। নাইটদের বিরুদ্ধে আইপিএলে এখনও পর্যন্ত তাঁর রান ১০১৮। কিন্তু বুধবার চূড়ান্ত ব্যর্থ। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে মাইলস্টোনে পৌঁছনোর সুযোগ ছিল রোহিত শর্মার সামনে। এই ম্যাচে ৫৪ রান করলেই দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করার নজির গড়তেন রোহিত। ভারতীয়দের মধ্যে টি২০ ক্রিকেটে প্রথম ১০ হাজার রান করার কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন বিরাট কোহলি। এদিন ৮ রান করলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সাড়ে চার হাজার রান পূর্ণ করতেন রোহিত। আপাতত এই দুটি মাইলস্টোনের জন্য পরের ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ককে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বাটলারের তান্ডবে উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

এবছর আইপিএলে শুরুটা ভাল হল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও হার রোহিত শর্মার দলের। শনিবার রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হার ২৩ রানে। বাটলার ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই। এদিন রোহিতদের বিরুদ্ধে দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন রাজস্থান রয়্যালসের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসের। তৃতীয় ওভারে আউট হন জশ্বস্বী জয়সোয়াল। তাঁকে ফেরান যশপ্রীত বুমরা। মাত্র ১ রান করে আউট হন জয়সোয়াল। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারের ষষ্ঠ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (৭) তুলে নেন টাইমল মিলস। এরপর বাটলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। জুটি ওঠে ৮২। ২১ বলে ৩০ রান করে কায়রণ পোলার্ডের বলে আউট হন সঞ্জু। সঞ্জু আউট হওয়ার পর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন শিমরণ হেটমায়ের। ৩টি ৪ ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ১৪ বলে ৩৫ রান করে তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে আউট হন। হেটমায়ের আউট হওয়ার ২ বল পরেই আউট হন বাটলার। তার আগে অবশ্য তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ফেলেছিলেন। বাটলারে সেঞ্চুরি আসে ৬৬ বলে। মারেন ১১টি ৪ ও ৫টি ৬। ওভারের শেষ বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে ফেরান বুমরা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯৩ রান করে রাজস্থান রয়্যালস। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন বুমরা। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন টাইমল মিলস। চলতি আইপিএলে এখনও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারলেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাত্র ১০ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই আউট হন। তাঁকে ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। আনমোলপ্রীত সিংও (৫) রান পাননি। ৪ ওভারে ৪০ রান তোলার ফাঁকে ২ উইকেট হারায় মুম্বই। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও তরুণ তিলক ভার্মা। তাঁর ব্যাটিং দেখে একবারের জন্যও মনে হয়নি জীবনের দ্বিতীয় আইপিএল ম্যাচ খেলছেন। ঈশানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ১২.৫ ওভারে ১২১ রানও তুলে ফেলেছিল মুম্বই। ট্রেন্ট বোল্ট ঈশান কিশানকে (৪৩ বলে ৫৪) তুলে নিতেই ধস মুম্বই ইনিংসে। পরপর ফিরে যান তিলক ভার্মা (৩৩ বলে ৬১), টিম ডেভিড (১(১), ড্যানিয়েল সামস (০)। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন পোলার্ড (২৪ বলে ২২)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭০ তোলে মুম্বই। রাজস্ঝানের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন নভদীপ সাইনি ও যুজবেন্দ্র চাহাল।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দুরন্ত কুলদীপ, অক্ষর–ললিতের দাপটে দুরন্ত জয় দিল্লি ক্যাপিটালসের

গত দুই মরশুম কলকাতা নাইট রাইডার্সের ডাগ আউটে বসে থাকতে হয়েছিল। ঢাকা পড়েছিলেন সুনীল নারাইন ও বরুণ চক্রবর্তীর ছায়ায়। কুলদীপ যাদবের দিকে ফিরেও তাকায়নি নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। মাঠে নামার সুযোগ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তাঁর ওপর ভরসা রেখেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস কর্তারা। প্রথম ম্যাচেই আস্থার মর্যাদা দিলেন কুলদীপ যাদব। দিল্লিতে পেলেন নতুন জীবন। এই চাইনাম্যানের দাপটেই জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিত শর্মা, কিয়েরন পোলার্ডের মতো ব্যাটাররা। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৪ উইকেটে হারিয়ে এবারের আইপিএল অভিযান শুরু করল দিল্লি ক্যাপিটালস।কুলদীপ যাদব দুরন্ত বোলিং করলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের জয়ের নায়ক অবশ্য অক্ষর প্যাটেল ও ললিত যাদব। যেভাবে হারা ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন, তাঁদের লড়াইকে কুর্নিশ করতেই হবে। এদিন মুম্বইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে টস জিতে মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ওপেনিং জুটিতে মুম্বই তোলে ৬৭। এরপরই রোহিত শর্মাকে (৩২ বলে ৪১) তুলে নিয়ে দলকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন কুলদীপ। ১ ওভার পরেই আনমোলপ্রীত সিংকেও (৮) তুলে নেন কুলদীপ। ৮৩ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় মুম্বই। তিলক ভার্মাকে (২২) তুলে নেন খলিল আহমেদ। তবে মুম্বইয়ের মিডল অর্ডারে বড় ধাক্কা দেন সেই কুলদীপ। মোক্ষম সময়ে তুলে নেন পোলার্ডকে (৩)। একের পর এক উইকেট পড়লেও দুরন্ত ব্যাটিং করে যান ঈশান কিশান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৭ রান তোলে মুম্বই। ঈশান কিশান ৪৮ বলে ৮১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৪ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট নেন কুলদীপ যাদব। ২৭ রানে ২ উইরকেট পান খলিল আমেদ।জয়ের জন্য ১৭৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৩০। এরপর একই ওভারে টিম সেইফার্ট (২১) ও মনদীপ সিংকে (০) তুলে নিয়ে দিল্লিকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন মুরুগান অশ্বিন। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (১) দ্রুত ডাগ আউটে ফেরায় আরও চাপে পড়ে যায় দিল্লি। একসময় ৭২ রানে ৫ উইকেট হারায়। একসময় মনে হচ্ছিল দিল্লির পক্ষে জেতা সম্ভব হবে না। এরপরই জ্বলে ওঠেন দিল্লির লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা। বল হাত ব্যর্থ হলেও ১১ বলে ২২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে ম্যাচে ফেরার শার্দূল ঠাকুর। তিনি আউট হওয়ার সময় দিল্লির রান ছিল ১৩.২ ওভারে ১০৪/৪। এরপরই জ্বলে ওঠেন অক্ষর প্যাটেল ও ললিত যাদব। তাঁদের ৩০ বলে ৭৫ রানের জুটি দিল্লিকে জয়ের পথে নিয়ে যায়। ৩৮ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ললিত। ১৭ বলে অপরাজিত ৩৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন অক্ষর প্যাটেল। ৮ বল বাকি থাকতে ১৭৯/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দিল্লি। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন বাসিল থাম্পি। ১৪ রানে ২ উইকেট মুরুগান অশ্বিনের।

মার্চ ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রবিবার হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে কেন চিন্তায় রোহিত–ঋষভ?‌

কলকাতা নাইট রাইডার্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের ম্যাচ দিয়ে শনিবার হল পঞ্চদশ আইপিএলের বোধন। রবিবার আরও একটা মেগা ম্যাচ। বলতে গেলে উত্তরপশ্চিম ডার্বি। মুখোমুখি হবে রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও ঋষভ পন্থের দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে অবশ্য দুই দলই স্বস্তিতে নেই। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স যেমন পাচ্ছে না সূর্যকুমার যাদবকে। তেমনি দিল্লি ক্যাপিটালস পাবে না ডেভিড ওয়ার্নারকে। তবে শক্তির বিচারে দেখতে গেলে দিল্লি ক্যাপিটালসের থেকে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।এবারে মেগা নিলামের আগে রোহিত শর্মা, যশপ্রীত বুমরা, ঈশান কিশান ও কিয়েরণ পোলার্ডকে রেখে দিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এছাড়া নিলাম থেকে তুলে নিয়েছিল সূর্যকুমার যাদবকে। এই পাঁচজনই মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মূল ভরসা। এছাড়া নিলাম থেকে তুলে নিয়েছে তিলক ভার্মা, টিম ডেভিড, ডিওয়াল্ড ব্রেভিসের মতো বেশ কয়েকজন তরুণ ক্রিকেটারকে। রয়েছেন জয়দেব উনাদকাত, জোফ্রা আর্চার, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, টাইমল মিলসের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা। ডিওয়াল্ড ব্রেভিসকে তো ইতিমধ্যেই তুলনা করে হচ্ছে এবি ডিভিলিয়ার্সের সঙ্গে। ব্রেভিস নাকি ডিভিলিয়ার্সের মতো ৩৬০ ডিগ্রি শট খেলতে পারেন। দক্ষিণ আফ্রিকার এই তারকা এবারের আইপিএলে মুম্বইয়ের তুরুপের তাস হতে পারেন। দিল্লির বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মুম্বই পাবে না সূর্যকুমার যাদবকে। এখনও তিনি পুরোপুরি ফিট নন। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে তাঁর রিহ্যাব চলছে। কবে যোগ দেবেন, এখনও নিশ্চিত নয়। তাঁর পরিবর্তে হয়তো তরুণ তিলক ভার্মাকে খেলাতে পারে মুম্বই টিম ম্যানেজমেন্ট। ক্যারিবিয়ান তারকা ফ্যাবিয়ান অ্যালেনকে খেলাতে পারে। বোলিং আক্রমণ সামলানোর দায়িত্ব যশপ্রীত বুমরা, জয়দেব উনাদকাত, মুরুগান অশ্বিন, মায়াঙ্ক মার্কান্ডেদের ওপর। অন্যদিকে দিল্লি ক্যাপিটালসও বেশ কয়েকটা ম্যাচে পাবে না ডেভিড ওয়ার্নার ও আনরিখ নর্টিয়েকে। লুঙ্গি এনগিডি, মুস্তাফিজুর রহমানও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে নেই। শক্তির নিরিখে প্রতিপক্ষের চেয়ে একটু দু্র্বল হওয়া সত্ত্বেও পঞ্চদশ আইপিএল ভালভাবে শুরু করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী দিল্লি ক্যাপিটালসের হেড কোচ রিকি পন্টিং। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাল দুই বড় বিদেশি অস্ত্র রভম্যান পাওয়েল ও টিম সেইফার্ট। বিশেষ করে পাওয়েলকে নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। তিনি বলেছেন, চার কিংবা পাঁচ নম্বরে ব্যাট করানো হবে পাওয়ারফুল পাওয়েলকে। নীচের দিকে একজন আক্রমণাত্মক ব্যাটার আমরা খুঁজছিলাম। আশা করি, পাওয়েল সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করতে পারবেন। পাশাপাশি ডেভিড ওয়ার্নার এলেও দল যে শক্তিশালী হবে তা স্বীকার করেছেন পন্থ। প্রথম ম্যাচে তাঁর সঙ্গে ওপেন করবেন পৃথ্বী শ।

মার্চ ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে গেলে গভীর সঙ্কটে গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

এবারের আইপিএলে প্লে অফের ছাড়পত্র পাবে না গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স? আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে রোহিত শর্মার দলের ওপর। শনিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ৪ উইকেটে হেরে গভীর সঙ্কটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ব্যাটারদের ব্যর্থতাই ডুবিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে।টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ব্যাট হাতে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি রোহিত শর্মা। এদিনও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। দ্বিতীয় ওভারেই আবেশ খানের বলে রাবাডার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত (৭)। কুইন্টন ডিকক (১৯) ও সূর্যকুমার যাদব (৩৩) সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে তুললেও যথেষ্ট ছিল না। দুজনকেই তুলে নেন অক্ষর প্যাটেল। সৌরভ তেওয়ারি করেন ১৫। তিনিও অক্ষর প্যাটেলের শিকার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান অক্ষর। ৪ ওভারে ২১ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। আবেশ খানও দুর্দান্ত বোলিং করেন। ১৫ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট। এই দুই বোলারের দাপটে ২০ ওভারে ১২৯/৯ রানের বেশি তুলতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।দিল্লির জয় অবশ্য সহজে আসেনি। জয়ের জন্য ১৩০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়। ১৫ রান ওঠার ফাঁকেই ফিরে যান দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান (৮) ও পৃথ্বী শ (৬)। ৯ রান করে কুল্টারনাইলের বলে বোল্ড হন স্টিভ স্মিথ। এরপর দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (২২ বলে ২৬) ও শ্রেয়স আয়ার। অক্ষর প্যাটেল (৯), শিমরণ হেটমায়েররা (১৫) দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। এরপর অবিচ্ছেদ্য জুটিতে দলের জয় নিশ্চিত করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও শ্রেয়স আয়ার। শ্রেয়স আয়ার ৩৩ বলে ৩৩ এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন ২১ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন। ক্রুণাল পাণ্ডিয়ার শেষ ওভারের প্রথম বলে ছয় মেরে ম্যাচ জেতান অশ্বিন।শনিবার মুম্বইয়র বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের। ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রইল দিল্লি। নেট রান রেটে চেন্নাই সুপার কিংসের থেকে পিছিয়ে ঋষভরা পন্থরা। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে রইল ষষ্ঠ স্থানে। প্লে অফে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ল রোহিতদের সামনে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : ব্যাটিং বিপর্যয় সামলে দুরন্ত জয় ধোনির দলের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ ট্র্যাক রেকর্ড বজায় রাখল মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস। দুবাইয়ে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে সিএসকে হারাল ২০ রানে। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের পাশাপাশি উজ্জ্বল অলরাউন্ডার ডোয়েইন ব্র্যাভো।চারমাস পর নাটকীয় পরিস্থিতির মধ্যে শুরু আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব। টস হওয়ার কিছুক্ষণ আগে জানা যায় চোটের জন্য খেলতে পারবেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। পরিবর্তে দলকে নেতৃত্ব দেবেন কিয়েরণ পোলার্ড। অন্যদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের টিম হার্ডলে পেপ টক দিচ্ছেন সূর্যকুমার যাদব। কিছুক্ষণ পরই টিম লিস্টে চোখ রাখতেই দেখা গেল প্রথম একাদশে নেই হার্দিক পান্ডিয়া। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথম ওভারেই ফাফ ডুপ্লেসিকে (০) হারায় চেন্নাই। তাঁকে তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। পরের ওভারেই আবার ধাক্কা। এবার অ্যাডাম মিলনের শিকার মঈন আলি (০)। ২ রানে ২ উইকেট হারানোর পরপরই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন অম্বাতি রায়ুডু। প্রথম সাক্ষাতে এই তিনজনের ব্যাটিংয়েই বড় রান তুলতে সক্ষম হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুর চোট বেশ গুরুতর। তৃতীয় ওভারে সুরেশ রায়নাকে (৪) তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। দুই কিউয়ি বোলারের দাপটে তখন দিশেহারা অবস্থা চেন্নাই সুপার কিংসের। ৩ ওভারে চেন্নাইয়ের রান দাঁড়ায় ৭/৩। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে মিলনেই ফেরান মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ৫ বলে ৩ রানের বেশি করতে পারেননি চেন্নাই অধিনায়ক। ৬ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২৪।এরপর রুখে দঁাড়ান রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবীন্দ্র জাদেজা। দুজনে দলকে টেনে নিয়ে যান। ৪১ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রুতুরাজ। জুটিতে ওঠে ৮১। দলের ১০৫ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২৬ (৩৩ বলে) রান করে আউট হন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দেন। ৫৮ বলে ৮৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের জায়গায় পৌঁছে দেন রুতুরাজ। তিনি ৯টি ৪ এবং ৪টি ৬ মারেন। ব্র্যাভো ৮ বলে ২৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এই দুজনের দাপটে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ২০ ওভারে ১৫৬/৬ রান তোলে চেন্নাই।রোহিত শর্মার অভাব অনুভব করেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ব্যাটসম্যান হিসেবে তো বটেই, অধিনায়ক হিসেবেও। কখনও মনেই হয়নি এই ম্যাচ মুম্বই বের করতে পারবে। সূর্যকুমার যাদব ৭, ঈশান কিষাণ ১১ করেন। রোহিত না থাকায় আনমোলপ্রীত সিংয়ের অভিষেক হয়, তিনি ১৬-র বেশি করতে পারেননি। কিয়েরন পোলার্ড ও অ্যাডাম মিলনে দুজনেই ১৫-র বেশি এগোতে পারেননি। ব্র্যাভোর তিন উইকেটের পাশাপাশি ১৯ রানে ২ উইকেট নেন দীপক চাহার।ব্যাট হাতে ৮ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলে ফারাক গড়েছিলেন ব্র্যাভো। বল হাতে তিনি চার ওভারে ২৫ রানের বিনিময়ে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। চোটের কারণে সিপিএলে কয়েকটি ম্যাচে বোলিং করেননি। কিন্তু চেন্নাইয়ের হয়ে শততম ম্যাচটি স্মরণীয় করে রেখে নিজের পাররফরম্যান্সে খুশি ব্র্যাভো। জয়ের জন্য ১৫৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স করল ৮ উইকেটে ১৩৬। এবারের আইপিএলে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ঝাড়খণ্ডের সৌরভ তিওয়ারি সর্বাধিক ৪০ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত থাকলেও দলকে জেতাতে ব্যর্থ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩৬/৮ তোলে মুম্বই।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

আই পি এলের উদ্বোধনী ম্যাচে রোহিতের সঙ্গে ওপেনিংয়ে কে? জানালেন জয়বর্ধনে

আই পি এলের উদ্বোধনী ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে চেন্নাই সুপার কিংস। জোরে বোলারদের ওপর ভরসা করলেও উদ্বোধনী ম্যাচে ওপেনিং জুটির দিকে তাকিয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হেড কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে। ক্রিস লিন নয়, রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেন করবেন কুইন্টন ডিকক। কুইন্টন ডিকক ও ক্রিস লিনের মধ্যে ডিকককেই বেছে নিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হেড কোচ জয়বর্ধনে। ওপেনিং জুটি নিয়ে জয়বর্ধনে বলেন, ক্রিস লিন আসায় ওপেনিংয়ে বিকল্প বেড়েছে। তবে রোহিতের সঙ্গে ডিককই ওপেন করবে। গতবছর দুজনে সাফল্য পেয়েছিল। তাই জুটি ভাঙতে চাই না। নাইট রাইডার্সের হয়ে ওপেন করলেও দলের প্রয়োজনে যে কোনও জায়গায় ব্যাট করতে তৈরি ক্রিস লিন। মুম্বাই দলে ভাল মানের স্পিনার নেই। তাই জোরে বোলাররাই ওপর ভরসা মুম্বইয়ের। যশপ্রীত বুমরার সঙ্গে জোরে বোলিংয়ের দায়িত্ব সামলাবেন ট্রেন্ট বোল্ট। নাথান কুল্টারনাইল ও ধবল কুলকার্নিকে নিয়ে দ্বিধা রয়েছে। হার্দিক পান্ডিয়া, কিয়েরণ পোলার্ড, ক্রূনাল পান্ডিয়ারা মতো অলরাউন্ডাররাও ভরসা মুম্বইয়ের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal